স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস

বহিস্থ অর্থায়নের দীর্ঘমেয়াদি উৎস

বাণিজ্যিক পত্র

ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান অর্থায়নের জন্য নির্দিষ্ট সময়ান্তে লাভসহ আসল অর্থ ফেরত প্রদানের অঙ্গীকারে আবদ্ধ হয়ে এই বাণিজ্যিক পত্র (Commercial Paper) বিক্রয় করে। এক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানের সুনাম বাণিজ্যিক পত্র বিক্রয়ে জামানত হিসাবে কাজ করে। সাধারণত যে সকল ব্যক্তির সাময়িক সময়ের জন্য কিছু অব্যবহার্য অর্থ থাকে, তারা শেয়ারবাজারে বিনিয়ােগের বিকল্প হিসাবে এই বাণিজ্যিক পত্র ক্রয় করে। সাধারণত খ্যাতিমান ব্যক্তি, বাণিজ্যিক ব্যাংক, বিমা কোম্পানি ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান বাণিজ্যিক পত্র বিক্রয় করে সাময়িক সময়ের জন্য অর্থায়ন করতে পারে।

ক্রেতা হতে অগ্রিম গ্রহণ

অনেক সময় বিশ্বস্ত ও স্থায়ী ক্রেতারা ভবিষ্যৎ ক্রয়ের মােট মূল্যের সম্পূর্ণ বা আংশিক অগ্রিম প্রদান ঃ করে ফলে বিক্রেতা সাময়িক সময়ের জন্য অর্থ সংস্থান করতে পারে।

মজুত পণ্য বন্ধকীকরণ

স্বল্পমেয়াদি অর্থ সংস্থানের জন্য মজুতপণ্য ব্যবহার করা যায়। কোনাে প্রতিষ্ঠান কর্তৃক অর্থ সংস্থানের জন্য কোনাে স্বনামধন্য ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের কাছে তার মজুতপণ্য জামানত বা বন্ধক রেখে ঋণ গ্রহণ করাকে মজুত পণ্যের মাধ্যমে অর্থসংস্থান বলা হয়। এ ধরনের অর্থ সংস্থানের ক্ষেত্রে সুদসহ ঋণের অর্থ ফেরত দেয়া পর্যন্ত মজুতপণ্যের উপর ঋণদাতার নিয়ন্ত্রণ ও অধিকার বজায় থাকে।

গ্রাম্য মহাজন

বহুকাল পূর্ব থেকেই গ্রামের বিত্তশালী ব্যক্তিরা স্বল্পমেয়াদে দরিদ্র ব্যক্তিদের ঋণ প্রদান করে আসছে। এক্ষেত্রে ঋণ গ্রহীতাকে বড় অংকের সুদ প্রদান করতে হয়। আর সুদসহ ঋণ পরিশােধে ব্যর্থ হলে মহাজনরা ঋণগ্রহীতাদের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পত্তি দখল করে নেয়। গ্রাম্য মহাজনরা এ ঋণের উপরে দিনভিত্তিক, সপ্তাহভিত্তিক অথবা মাসভিত্তিক সুদ গণনা করে থাকেন।

স্বল্পমেয়াদি অর্থায়নের অপ্রাতিষ্ঠানিক উৎস

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Scroll to top