ধর্ম (Religion)

স্বপ্ন যখন বিসিএস

স্বপ্নবিষ্ট তরুণ-তরুণীর আরাধ্য স্বপ্ন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) এর ক্যাডার হওয়া। এর জন্য প্রতিটি চাকরি প্রার্থীকে বন্ধুর পথ পাড়ি দিতে হয়। এ পথ পাড়ি দিতে গিয়ে একজন প্রার্থীকে কঠিনতম পরীক্ষার মুখােমুখি হতে হয়। ৩০ নভেম্বর ২০২১ প্রকাশিত হয়েছে ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি। ১,৭১০টি শূন্য পদের বিপরীতে ৪৪তম বিসিএসে অংশ নেবে লাখ লাখ চাকরিপ্রার্থী। সেই চাকরিপ্রার্থীদের প্রস্তুতিকে আরও শানিত করে তুলতে বিসিএস ক্যাডার সংক্রান্ত প্রাথমিক ধারণা ও পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে আমাদের এবারের বিশেষ আয়ােজন।

BPSC গঠন

ভারত উপমহাদেশে ১৯২৬ সালে প্রথম পাবলিক সার্ভিস কমিশন নামে একটি কমিশন গঠিত হয়। ১৯১৯ সালের ভারত শাসন আইন এবং ১৯৩৫ সালের ভারত শাসন আইন অনুযায়ী ১৯৩৭ সালে বেঙ্গল পাবলিক সার্ভিস কমিশন প্রদেশ পর্যায়েও অনুরূপ কমিশন গঠিত হয়। ১৯৪৭ সালের আগস্ট মাসে পূর্ব পাকিস্তানে পাবলিক সার্ভিস কমিশন প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পরবর্তীতে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭২ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান কার্যকর হয়।

সংবিধান কার্যকর হওয়ার পূর্বেই মহামান্য রাষ্ট্রপতি ৮ এপ্রিল ১৯৭২ বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন আদেশ (রাষ্ট্রপতির ৩৪ নম্বর আদেশ) জারির মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠন করেন। বাংলাদেশ সরকারি ও কর্ম কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান।

আরো পড়ুন : সাম্প্রতিক সাধারণ জ্ঞান থেকে গুরুত্বপূর্ণ ৫০টি এমসিকিউ

১৯৭২ সালের মে মাসে প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক সার্ভিস কমিশন (প্রথম) ও পাবলিক সার্ভিস কমিশন (দ্বিতীয়) নামে দুটি আলাদা কমিশন গঠিত হয়। কিন্তু ১৯৭২ সালের নভেম্বর মাসে গৃহীত সংবিধানে পাবলিক সার্ভিস কমিশন। সংক্রান্ত ধারাসমূহ কার্যকরের লক্ষ্যে সরকার নতুন একটি রাষ্ট্রপতি আদেশ (রাষ্ট্রপতি আদেশ নং ২৫, ১৯৭৩) জারি করে। যা কার্যত ১৯৭২ সালের মে মাস থেকে পাবলিক সার্ভিস কমিশন দুটির নিয়মিতকরণ সম্পন্ন করে।

১৯৭৭ সালে The Bangladesh Public Service Commission Ordinance, 1977 (Ordinance No. LVII of 1977) জারি করা হয়। এ অধ্যাদেশের মাধ্যমে থম ও দ্বিতীয় কর্ম কমিশনকে একীভূত করে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন গঠন করা হয়। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সংবিধানের ৮৮, ১৩৭-১৪১ ও ১৪৭ অনুচ্ছেদসহ The Bangladesh Public Service Commission Ordinance, 1977 (সংশােধনীসহ) এবং The Bangladesh Public Service Commission (Consultation) Regulations, 1979 (সংশােধনীসহ) দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে।

ক্যাডার বিন্যাস ও পুনর্গঠন

স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশে পাকিস্তানি ক্যাডার প্রথাই চালু থেকে যায়। তখন নির্দিষ্ট পদের ওপর ক্যাডার প্রথা চালু ছিল। ১৮ জুলাই ১৯৭৫ চাকরি পুনর্গঠনে সরকারের ক্ষমতাকে কার্যকারিতা দেওয়ার জন্য চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলি) আইন করা হয়, যা কার্যকর করা হয় ১ জুলাই ১৯৭৩ থেকে। ১৯৭৫ সালের চাকরি (পুনর্গঠন ও শর্তাবলী) আইনের ভিত্তিতে ১ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ক্যাডার কম্পােজিশন অ্যান্ড ক্যাডার রুল জারি করা হয়। এ আদেশ অনুযায়ী সমমর্যাদা ও অভিন্ন শর্তাবলীর ভিত্তিতে একক সার্ভিস হিসেবে বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (BCS) গঠন করা হয় এবং কর্মক্ষেত্র অনুযায়ী ১৪টি ক্যাডার এবং সাথে আরও ২২টি সাব-ক্যাডার সৃষ্টি করা হয়। ক্যাডার ও সাব-ক্যাডারগুলাে ছিল—

  1. প্রশাসন : সাব-ক্যাডার ২টি প্রশাসনিক ও খাদ্য
  2. কৃষি : সাব-ক্যাডার ৪টি— কৃষি, বন, মৎস্য ও পশুসম্পদ
  3. শিক্ষা : সাব-ক্যাডার ২টি- সাধারণ শিক্ষা ও কারিগরি শিক্ষা
  4. অর্থনীতি ও বাণিজ্য : সাব-ক্যাডার ৩টি– অর্থনীতি, বাণিজ্য ও পরিসংখ্যান
  5. প্রকৌশল : সাব-ক্যাডার ৪টি গণপূর্ত, জনস্বাস্থ্য, সড়ক ও জনপথ এবং টেলিকমিউনিকেশন
  6. অর্থ : সাব-ক্যাডার ৩টি- নিরীক্ষা ও হিসাব, শুল্ক ও আবগারি এবং কর
  7. পররাষ্ট্র
  8. স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা
  9. তথ্য
  10. বিচার
  11. ডাক
  12. আইন প্রয়ােগ : সাব-ক্যাডার ২টি পুলিশ ও আনসার
  13. রেলওয়ে : সাব-ক্যাডার ২টি পরিবহন ও বাণিজ্য এবং প্রকৌশল
  14. সচিবালয়

১৪ মে ১৯৮২ Bangladesh Civil Service (Age, Qualification and Examination for Direct Recruitment) Rules, 1982 জারি করে ২৮টি ক্যাডার গঠন করা হয়। ২০ আগস্ট ১৯৮৫ Bangladesh Civil Service (Health and Family Planning : Family Planning) Composition and Cadre Rules, 1985 জারি করে স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারকে ভেঙে স্বাস্থ্য ক্যাডার ও পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডার নামে পুনর্গঠন করা হয়। ফলে সিভিল সার্ভিসের ক্যাডারের সংখ্যা ২৯টিতে উন্নীত হয়।

আরো পড়ুন : প্রাচীন বাংলার ইতিহাস

ক্যাডার বিন্যাস
বিন্যাস ক্যাডার
১ সেপ্টেম্বর ১৯৮০ ১৪
১৪ মে ১৯৮২ ২৮
২০ আগস্ট ১৯৮৫ ২৯
৩১ আগস্ট ১৯৮৬ ৩০
১৬ মার্চ ১৯৯২ ২৯
১ নভেম্বর ২০০৭ ২৮
১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ ২৭
১৩ নভেম্বর ২০১৮ ২৬

৩১ আগস্ট ১৯৮৬ জারিকৃত এক সংশােধনী বিজ্ঞপ্তিবলে সমবায় ক্যাডার গঠন করলে সিভিল সার্ভিসের ক্যাডারের সংখ্যা ৩০টিতে উন্নীত হয়। ১৬ মার্চ ১৯৯২ প্রশাসন এবং সচিবালয় ক্যাডার একীভূতকরণ আদেশ ১৯৯২ জারি করে প্রশাসন ক্যাডার গঠন করা হয়। তখন সিভিল সার্ভিসে ক্যাডারের সংখ্যা হয় ২৯টি। ১ নভেম্বর ২০০৭ নির্বাহী বিভাগ থেকে বিচার বিভাগ পৃথক হলে বিচার ক্যাডারের বিলুপ্তি ঘটে। ফলে সিভিল সার্ভিসের ক্যাডারের সংখ্যা হয় ২৮টি।

১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৪ বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (বয়স, যােগ্যতা ও সরাসরি নিয়ােগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা, ২০১৪ জারি করা এই বিধিমালায় টেলিকমিউনিকেশন ক্যাডার বিলুপ্ত করা হলে ক্যাডারের সংখ্যা হয় ২৭টি। ১৩ নভেম্বর ২০১৮ সর্বশেষ বিসিএস ইকোনমিক ক্যাডারকে বিলুপ্ত করে তা বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের সাথে একীভূত করে প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। ১৯৮২ সালে গঠিত বিসিএস ইকোনমিক ক্যাডার বিলুপ্ত হওয়ায় বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে বর্তমানে ক্যাডারের সংখ্যা ২৬টি।

৪৪তম বিসিএস বিজ্ঞপ্তি

আবেদনের সময়সূচি

আবেদনপত্র পূরণ ও ফি জমাদান শুরুর তারিখ ও সময় : ৩০.১২.২০২১ তারিখ, সকাল ১০.০০ মিনিট। শেষ তারিখ ও সময় : ৩১.০১.২০২২ তারিখ, সন্ধ্যা ৬.০০ মিনিট।

প্রিলিমিনারির সম্ভাব্য তারিখ

৪৪তম বি.সি.এস. পরীক্ষা-২০২১ এর প্রিলিমিনারি পরীক্ষা ২৭ মে ২০২২ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে পারে। পরীক্ষাসমূহের সুনির্দিষ্ট তারিখ, সময় ও নির্দেশনা যথাসময়ে কমিশনের ওয়েবসাইট এবং সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশ করা হবে।

বয়সসীমা

মুক্তিযােদ্ধা/শহীদ মুক্তিযােদ্ধাদের পুত্র-কন্যা, প্রতিবন্ধী প্রার্থী এবং বি.সি.এস. (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের প্রার্থী ছাড়া অন্যান্য সকল ক্যাডারের প্রার্থীর জন্য বয়স ২১-৩০ বছর (জন্ম তারিখ : সর্বনিম্ন : ০২.১১.২০০০, সর্বোচ্চ ০২.১১.১৯৯১)। করােনার জন্য বিসিএস এর বিজ্ঞপ্তিতে বয়সের ছাড় দেওয়া হয়নি। কারণ করােনার জন্য বিসিএসের পরীক্ষায় কোনাে জট সৃষ্টি হয়নি।

ক্যাডারভিত্তিক পদবিন্যাস
সাধারণ
ক্যাডার পদসংখ্যা ক্যাডার পদসংখ্যা
প্রশাসন ২৫০ আনসার ১৪
নিরীক্ষা ও হিসাব ৩০ সমবায়
পরিবার পরিকল্পনা ২৭ পররাষ্ট্র ১০
পুলিশ ৫০ ডাক ২৩
কর ১১
কারিগরি/পেশাগত
ক্যাডার পদসংখ্যা ক্যাডার পদসংখ্যা
কৃষি ৪৪ মৎস্য ১৫
বন সাধারণ শিক্ষা ৪২১
স্বাস্থ্য ১২৫ জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল
গণপূর্ত ২৮ রেলওয়ে প্রকৌশল ২০
সড়ক ও জনপথ ৩৬ পরিসংখ্যান
কারিগরি শিক্ষা ৩৫৫
সাধারণ ও কারিগরি/পেশাগত
ক্যাডার পদসংখ্যা ক্যাডার পদসংখ্যা
খাদ্য তথ্য ১২
পশু সম্পদ ২১০ রেলওয়ে পরিবহন ও বাণিজ্যিক
বাণিজ্য

প্রথম বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

১৯৭২ সালে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশন গঠনের পর সিভিল অফিসার নিয়ােগের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস (প্রথম) কমিশন স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশে ৫০ জন (Lawyer) ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ােগের জন্য বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস ইতিহাসের প্রথম নিয়ােগ বিজ্ঞপ্তি ১২ জুন ১৯৭২ তারিখে প্রকাশ করে, যা ১৫ জুন ১৯৭২ তারিখে দৈনিক বাংলা পত্রিকায় প্রকাশিত হয়।

BPSC’র আঞ্চলিক কার্যালয়

অঞ্চল প্রতিষ্ঠা
রাজশাহী ১৯৭২
চট্টগ্রাম ১৯৭২
খুলনা ১৯৭২
বরিশাল ১০ মে ১৯৯৭
সিলেট ১০ মে ১৯৯৭
রংপুর ১৩ মার্চ ২০১৩
ময়মনসিংহ ২০১৬

চেয়ারম্যান ও সদস্য নিয়ােগ

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ১৩৮নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ রাষ্ট্রপতি কর্তৃক নিযুক্ত হন। কমিশনের কমপক্ষে অর্ধেক সংখ্যক সদস্য হবেন ২০ বছর বা ততােধিককাল বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে সরকারের কর্মে। অধিষ্ঠিত ছিলেন এমন ব্যক্তিবর্গ। সংবিধানের ১৩৯নং অনুচ্ছেদ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান বা কোনাে সদস্য দায়িত্ব গ্রহণের তারিখ হতে ৫ বছর বা তার ৬৫ বছর বয়স পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত, এর মধ্যে যেটি আগে ঘটবে সে পর্যন্ত কমিশনের দায়িত্ব পালন করবেন। সুপ্রীম কোর্টের কোনাে বিচারক যে পদ্ধতি বা কারণে অপসারিত হতে পারেন সেরুপ পদ্ধতি বা কারণ ব্যতীত বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান বা সদস্যদের অপসারণ করা যায় না। বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন সংক্রান্ত উক্ত অধ্যাদেশে চেয়ারম্যানসহ সর্বনিম্ন ৬ জন এবং সর্বোচ্চ ১৫ জন সদস্য নিয়ে কমিশন গঠন করার বিধান রয়েছে।

পরীক্ষা পদ্ধতি

বিসিএস (বয়স, যােগ্যতা ও সরাসরি নিয়ােগের জন্য পরীক্ষা) বিধিমালা-২০১৪-এর বিধান অনুযায়ী, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসে উপযুক্ত প্রার্থী মনােনয়নের উদ্দেশ্যে সরকারি কর্ম কমিশন নিমােক্ত ৩স্তর বিশিষ্ট নিয়ােগ পরীক্ষা গ্রহণ করে থাকে।

প্রথম স্তর : MCQ

শূন্য পদের তুলনায় প্রার্থী সংখ্যা বিপুল হওয়ায় লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে উপযুক্ত প্রার্থী বাছাই-এর জন্য বিসিএস বিধিমালা-২০১৪-এর বিধি-৭ অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন ১০০ নম্বরের MCQ Type প্রিলিমিনারি টেস্ট গ্রহণ করে থাকে। ৩৪তম বিসিএস পরীক্ষা পর্যন্ত ১০০ নম্বরের লিমিনারি টেস্ট গ্রহণ করা হতাে। বিসিএস পরীক্ষা বিধিমালা ২০১৪ এর বিধানমতে, ৩৫তম বিসিএস পরীক্ষা হতে ২০০ নম্বরের ২ ঘণ্টা সময়ে ১০টি বিষয়ের ওপর MCQ Type প্রিলিমিনারি টেস্ট গ্রহণের ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছে।

টেস্টে যে সকল প্রার্থী English Version প্রশ্নপত্রে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী তাদের অনলাইন ফরমে Question type option-এর বক্স-এ টিক চিহ্ন দিতে হবে। কোনাে প্রার্থী প্রিলিমিনারি টেস্টে English Version প্রশ্নপত্রে পরীক্ষার জন্য নির্ধারিত। পরীক্ষার কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে।

সম্পূর্ণ সিলেবাস ডাউনলোড করুন

বিসিএস পরীক্ষার বিষয় ও নাম্বার

বিষয়ের নাম  নাম্বার 
বাংলা ভাষা ও সাহিত্য ৩৫
ইংরেজি ভাষা ও সাহিত্য ৩৫
বাংলাদেশ বিষয়াবলি ৩০
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ২০
ভূগােল (বাংলাদেশ ও বিশ্ব), পরিবেশ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা
১০
সাধারণ বিজ্ঞান
১৫
কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তি
১৫
গাণিতিক যুক্তি
১৫
মানসিক দক্ষতা ১৫
নৈতিকতা, মূল্যবােধ ও সুশাসন ১০
মােট ২০০

দ্বিতীয় স্তর : লিখিত পরীক্ষা

প্রিলিমিনারি টেস্ট-এ কমিশন কর্তৃক কৃতকার্য ঘােষিত প্রার্থীদের ৯০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে হয়। নির্ধারিত শিক্ষাগত যােগ্যতা অনুযায়ী ২৬টি ক্যাডার সাধারণ ক্যাডার এবং কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার এ দুই ক্যাটাগরিতে বিভক্ত—

  • সাধারণ ক্যাডারের প্রার্থীদের জন্য ৯০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা;
  • কারিগরি/পেশাগত ৪ ক্যাডারের প্রার্থীদের ৯০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা।

বিষয়ভিত্তিক নম্বর বণ্টন

সাধারণ ক্যাডার
বাংলা  ২০০
ইংরেজি ২০০
বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২০০
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০
গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা
১০০
সাধারণ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
১০০
মােট
৯০০ 
কারিগরি/পেশাগত ক্যাডার
বাংলা  ১০০
ইংরেজি ২০০
বাংলাদেশ বিষয়াবলি ২০০
আন্তর্জাতিক বিষয়াবলি ১০০
গাণিতিক যুক্তি ও মানসিক দক্ষতা
১০০
পদ-সংশ্লিষ্ট বিষয় ২০০
মােট
৯০০ 

পদ সংশ্লিষ্ট বিষয়ের পরীক্ষা

যে সকল প্রার্থী সাধারণ ও কারিগরি/পেশাগত উভয় ক্যাডারের পদের জন্য পছন্দক্রম দেবেন, তাদেরকে সাধারণ ক্যাডারের জন্য নির্ধারিত বিষয়ের ৯০০ নম্বরের মধ্যেই অতিরিক্ত সংশ্লিষ্ট পদ বা সার্ভিসের জন্য প্রাসঙ্গিক বিষয়ের ২০০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা দিতে হয়।

তৃতীয় স্তর : মৌখিক পরীক্ষা

বিসিএস -এর লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ২০০ নম্বরের মৌখিক পরীক্ষায় অংশগ্রহণ বাধ্যতামূলক। মৌখিক পরীক্ষায় পাশ নম্বর ৫০%।

সাক্ষাৎকার বাের্ড গঠন

লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীদের উপযুক্ততা নির্ধারণের জন্য বিসিএস পরীক্ষা বিধিমালার বিধান অনুযায়ী কমিশন নিম্নোক্তভাবে মৌখিক পরীক্ষার বাের্ড গঠন করে থাকে। এছাড়াও ৪/৫ জন সদস্যের সমন্বয়ে বাের্ড গঠন হয়ে থাকে।

কমিশনের চেয়ারম্যান/সদস্য বাের্ড চেয়ারম্যান
সরকার কর্তৃক মনােনীত যুগ্মসচিব বা তদুর্দ্ধ পদমর্যাদার কর্মকর্তা বাের্ড সদস্য
কমিশন কর্তৃক মনােনীত বিষয়ভিত্তিক বিশেষজ্ঞ বাের্ড সদস্য

উত্তর প্রদানের ভাষা

বাংলা, ইংরেজি ও অন্যান্য ভাষা সম্পর্কিত বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট ভাষাতেই লিখতে হবে। অন্যান্য বিষয়ের প্রশ্নের উত্তর বাংলা বা ইংরেজি যেকোনাে ভাষায় লেখা যাবে। একটি বিষয়ের উত্তরে উদ্ধৃতি বা অনিবার্য টেক্সট ব্যতীত একাধিক ভাষা ব্যবহার করা যাবে না। কোনাে বিষয়ের প্রশ্নপত্রে অন্য কোনােরূপ নির্দেশনা থাকলে উক্ত বিষয়ের ক্ষেত্রে ঐ নির্দেশনা অনুযায়ী প্রশ্নোত্তর লিখতে হবে।

Scroll to top