পৌরনীতি ও নাগরিকতা

সংবিধানের ধারণা ও গুরুত্ব

সংবিধান

আমরা রাষ্ট্রে বাস করি। রাষ্ট্র পরিচালনার জন্য কিছু নিয়ম কানুন রয়েছে। এসব নিয়মাবলির সমষ্টিকে সংবিধান বলে। সংবিধানের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয়। সংবিধানকে বলা হয় রাষ্ট্রের দর্পণ বা আয়নাস্বরূপ। সংবিধানে নাগরিকের অধিকার ও কর্তব্য, শাসকের ক্ষমতা এবং নাগরিক ও শাসকের সম্পর্ক কিরূপ হবে তা সুস্পষ্টভাবে লিপিবদ্ধ থাকে।

কাজেই রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিকের সংবিধান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়ােজন। এ অধ্যায়ে আমরা সংবিধানের ধারণা, সংবিধানের গুরুত্ব, সংবিধান প্রণয়ন পদ্ধতি, বিভিন্ন প্রকার সংবিধানের বৈশিষ্ট্য, বাংলাদেশের সংবিধান তৈরির ইতিহাস, এর উল্লেখযােগ্য বৈশিষ্ট্য এবং বিভিন্ন সংশােধনীসমূহ সম্বন্ধে জানব।

আরো পড়ুন :

সংবিধানের ধারণা ও গুরুত্ব

সংবিধান হলাে রাষ্ট্র পরিচালনার মৌলিক দলিল । যে সব নিয়মের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালিত হয় তাকে সংবিধান বলে। সরকার কীভাবে নির্বাচিত হবে, আইন, শাসন ও বিচার বিভাগ কীভাবে গঠিত হবে, এদের ক্ষমতা কী হবে, জনগণ ও সরকারের সম্পর্ক কেমন হবে-এসব বিষয় সংবিধানে উল্লেখ থাকে।

এসব বিষয়ে সংবিধানের পরিপন্থী কোন সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায় না। তাই সংবিধানকে রাষ্টের চালিকা শক্তি বলা হয়। রাষ্ট্র বিজ্ঞানের জনক অ্যারিস্টটল বলেন, সংবিধান হলাে এমন এক জীবন পদ্ধতি যা রাষ্ট্র স্বয়ং বেছে নিয়েছে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button