বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতিব্যঞ্জনধ্বনি | উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বিভাজন | ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন

ব্যঞ্জনধ্বনি | উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বিভাজন | ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন

-

- Advertisment -
- Advertisement -

ব্যঞ্জনধ্বনি

উচ্চারণের স্থান ও প্রকৃতি এবং ধ্বনির কম্পন ও বায়ুপ্রবাহ বিবেচনায় ব্যঞ্জনধ্বনিকে অন্তত চার ধরনে ভাগ করা যায়: ১. উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বিভাজন, ২. উচ্চারণের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভাজন, ৩. ধ্বনির কম্পমাত্রা অনুযায়ী বিভাজন এবং ৪. ধ্বনি সৃষ্টিতে বায়ুর প্রবাহের মাত্রা অনুযায়ী বিভাজন।

১. উচ্চারণস্থান অনুযায়ী বিভাজন

বাম্প্রত্যঙ্গের ঠিক যে জায়গায় বায়ু বাধা পেয়ে ব্যঞ্জনধ্বনি সৃষ্টি করে সেই জায়গাটি হলাে ঐ ব্যঞ্জনের উচ্চারণস্থান। উচ্চারণস্থান অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়: ১. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন, ২. দন্ত্য ব্যঞ্জন, ৩. দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন, ৪, মূর্ধন্য ব্যঞ্জন, ৫. তালব্য ব্যঞ্জন, ৬. কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন, ৭. কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন। ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে কোন বাম্প্রত্যঙ্গের অংশগ্রহণ মুখ্য এবং কোন বাপ্রত্যঙ্গের অংশগ্রহণ গৌণ, নিচের সারণিতে তা দেখানাে হলাে:

ধ্বনি মুখ্য বাকপ্রত্যঙ্গ গৌণ বাকপ্রত্যঙ্গ
ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন নিচের ঠোট  উপরের ঠোট
দন্ত্য ব্যঞ্জন জিভের ডগা  উপরের পাটির দাঁত
দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন জিভের ডগা দন্তমূল
মূর্ধন্য ব্যঞ্জন জিভের ডগা দন্তমূলের পিছনের উঁচু অংশ (মূর্ধা)
তালব্য ব্যঞ্জন  জিভের সামনের অংশ শক্ত তালু
 কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন জিভের পেছনের অংশ  নরম তালু
কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন ধ্বনিদ্বারের দুটি পাল্লা ধ্বনিদ্বার

ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণে বাক্ প্রত্যঙ্গের সক্রিয়তা

ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট দুটি কাছাকাছি এসে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। এগুলাে দ্বি-ওষ্ঠ্য ধ্বনি নামেও পরিচিত। পাকা, ফল, বাবা, ভাই, মা প্রভৃতি শব্দের প, ফ, ব, ভ, ম ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দণ্ড্য ব্যঞ্জন

- Advertisement -

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্ত্য ব্যঞ্জন বলে। তাল, থালা, দাদা, ধান প্রভৃতি শব্দের ত, থ, দ, ধ দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে দন্তমূলীয় ব্যঞ্জন বলে। নানা, রাত, লাল, সালাম প্রভৃতি শব্দের ন, র, ল, স দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

মূর্ধন্য ব্যঞ্জন

দন্তমূল এবং তালুর মাঝখানে যে উঁচু অংশ থাকে তার নাম মূর্ধা। যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা মূর্ধার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে মূর্ধন্য ব্যঞ্জন বলে। টাকা, ঠেলাগাড়ি, ডাকাত, ঢােল, গাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ট, ঠ, ড, ঢ, ড়, ঢ় মূর্ধন্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

তালব্য ব্যঞ্জন

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা খানিকটা প্রসারিত হয়ে শক্ত তালুর কাছে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে তালব্য ব্যঞ্জন বলে। চাচা, ছাগল, জাল, ঝড়, শসা প্রভৃতি শব্দের চ, ছ, জ, ঝ, শ তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কণ্ঠ ব্যঞ্জন

- Advertisement -

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের পিছনের অংশ উঁচু হয়ে আলজিভের কাছাকাছি নরম তালুর কাছে। বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, সেগুলােকে কণ্ঠ্য ব্যঞ্জন বলে। কাকা, খালু, গাধা, ঘাস, কাঙাল প্রভৃতি শব্দের ক, খ, গ, ঘ, ঙ কণ্ঠ্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন

কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জন উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বার থেকে বায়ু কণ্ঠনালি হয়ে সরাসরি বের হয়ে আসে। হাতি শব্দের হ কণ্ঠনালীয় ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

২. উচ্চারণের প্রকৃতি অনুযায়ী বিভাজন

ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ঠোট, জিভ, জিভমূল ইত্যাদি বাম্প্রত্যঙ্গের আকৃতিগত পরিবর্তন হয়। এতে বায়ুপথে সৃষ্ট বাধার ধরন আলাদা হয়ে উচ্চারণের প্রকৃতি বদলে যায়। উচ্চারণের এই প্রকৃতি অনুযায়ী ব্যঞ্জনধ্বনিকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। যথা: স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন, নাসিক্য ব্যঞ্জন, উষ্ম ব্যঞ্জন, পার্শ্বিক ব্যঞ্জন, কম্পিত ব্যঞ্জন, তাড়িত ব্যঞ্জন ইত্যাদি।

স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাপ্রত্যঙ্গ পরস্পরের সংস্পর্শে এসে বায়ুপথে বাধা তৈরি করে, সেগুলােকে স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন বলে। এগুলাে
স্পর্শ ব্যঞ্জনধ্বনি নামেও পরিচিত। পথ, তল, টক, চর, কল শব্দের প, ত, ট, চ, ক স্পৃষ্ট ব্যঞ্জনধ্বনি। উচ্চারণস্থান অনুযায়ী এগুলােকে ওষ্ঠ স্পৃষ্ট, দন্ত পৃষ্ট, মূর্ধা স্পষ্ট, তালু স্পষ্ট এবং কণ্ঠ স্পৃষ্ট – এই পাঁচ ভাগে ভাগ করা যায়, যথা –

  • ওষ্ঠ সৃষ্ট ব্যঞ্জন: প, ফ, ব, ভ
  • দন্ত স্পষ্ট ব্যঞ্জন: ত, থ, দ, ধ
  • মূর্ধা স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ট, ঠ, ড, ঢ
  • তালু স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: চ, ছ, জ, ঝ
  • কণ্ঠ স্পৃষ্ট ব্যঞ্জন: ক, খ, গ, ঘ

নাসিক্য ব্যঞ্জন

- Advertisement -

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে আসা বাতাস মুখের মধ্যে প্রথমে বাধা পায় এবং নাক ও মুখ দিয়ে বেরিয়ে যায়, সেসব ধ্বনিকে নাসিক্য ব্যঞ্জন বলে। মা, নতুন, হাঙর প্রভৃতি শব্দের ম, ন, ঙ নাসিক্য ব্যঞ্জনধ্বনি।

উষ্ম ব্যঞ্জন

যেসব ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে দুটি বাম্প্রত্যঙ্গ কাছাকাছি এসে নিঃসৃত বায়ুতে ঘর্ষণ সৃষ্টি করে, সেগুলােকে উষ্ম ব্যঞ্জন বলে। সালাম, শসা, হুঙ্কার প্রভৃতি শব্দের স, শ, হ উষ্ম ধ্বনির উদাহরণ। উচ্চারণস্থান অনুসারে উষ্ম ব্যঞ্জন ধ্বনিগুলােকে দন্তমূলীয় (স), তালব্য (শ), এবং কণ্ঠনালীয় (হ) – এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়। এগুলাের মধ্যে স এবং শ-কে আলাদাভাবে শিস ধ্বনিও বলা হয়ে থাকে। কারণ স, শ উচ্চারণে শাস অনেকক্ষণ ধরে রাখা যায় এবং শিসের মতাে আওয়াজ হয়।

পার্শ্বিক ব্যঞ্জন

যে ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা দন্তমূল স্পর্শ করে এবং ফুসফুস থেকে আসা বাতাস জিভের দুই পাশ দিয়ে বেরিয়ে যায়, তাকে পার্শ্বিক ব্যঞ্জন বলে। লাল শব্দেল পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

কম্পিত ব্যঞ্জন

যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভ একাধিক বার অতি দ্রুত দন্তমূলকে আঘাত করে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে, তাকে কম্পিত ব্যঞ্জন বলে। কর, ভার, হার প্রভৃতি শব্দের র কম্পিত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

তাড়িত ব্যঞ্জন

যে ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের সামনের অংশ দন্তমূলের একটু উপরে অর্থাৎ মূর্ধায় টোকা দেওয়ার মতাে করে একবার ছুঁয়ে যায়, তাকে তাড়িত ব্যঞ্জন বলে। বাড়ি, মূঢ় প্রভৃতি শব্দের ড়, ঢ় তাড়িত ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ।

৩. ধ্বনির কম্পমাত্রা অনুযায়ী বিভাজন

ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে স্বরযন্ত্রের ধ্বনিদ্বারে বায়ুর কম্পন কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই। ভাগে ভাগ করা যায়: ঘােষ ও অঘােষ।

ঘােষ ব্যঞ্জন

যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত বেশি, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় ঘােষধ্বনি। যথা: ব, ভ, ম, দ, ধ, ন, র, ল, ড, ঢ, ড়, ঢ়, জ, ঝ, গ, ঘ, ঙ।

অঘােষ ব্যঞ্জন

যেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ধ্বনিদ্বারের কম্পন অপেক্ষাকৃত কম, সেসব ধ্বনিকে বলা হয় অঘােষধ্বনি, যথা: প, ফ, ত, থ, স, ট, ঠ, চ, ছ, শ, ক, খ, হ।

৪. ধ্বনি সৃষ্টিতে বায়ুর প্রবাহ অনুযায়ী বিভাজন

ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে বায়ুপ্রবাহের বেগ কমবেশি হওয়ার ভিত্তিতে ব্যঞ্জনধ্বনিকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়: অল্পপ্রাণ ও মহাপ্রাণ।

অল্পপ্রাণ ব্যঞ্জন

সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহের মাত্রা অপেক্ষাকৃত কম, সেগুলােকে বলা হয় অল্পপ্রাণ ধ্বনি। যেমন – প, ব, ত, দ, স, ট, ড, ঢ, চ, জ, শ, ক, গ ইত্যাদি।

মহাপ্রাণ ব্যঞ্জন

সেসব ধ্বনি উচ্চারণের সময়ে ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ অপেক্ষাকৃত বেশি, সেগুলােকে বলা হয় মহাপ্রাণ ধ্বনি। যেমন – ফ, ভ, থ, ধ, ঠ, ড, ঢ, ছ, ঝ, খ, ঘ, হ ইত্যাদি।

অনুশীলনী

সঠিক উত্তরে টিক চিহ্ন দাও।

১. বাম্প্রত্যঙ্গের ঠিক যে জায়গায় বাতাস বাধা পেয়ে ব্যঞ্জনধ্বনি সৃষ্টি হয়, সেই জায়গাটি হলাে ব্যঞ্জনের –
ক. উচ্চারণ স্থান
খ. উচ্চারণ প্রকৃতি
গ. ধ্বনি সৃষ্টি
ঘ. ধ্বনি প্রকৃতি

২. দন্ত্য ব্যঞ্জনধ্বনির মুখ্য বাপ্রত্যঙ্গ কোনটি?
ক. নিচের ঠোট
খ. জিভের ডগা
গ. আলজিভ
ঘ. দাঁত

৩. কোন ব্যঞ্জনধ্বনি উচ্চারণের সময়ে জিভের ডগা উপরের পাটির দাঁতের গােড়ার সঙ্গে লেগে বায়ুপথে বাধা সৃষ্টি করে?
ক. ওষ্ঠ্য ব্যঞ্জন
খ. দন্ত্য ব্যঞ্জন
গ. দন্ত্যমূলীয় ব্যঞ্জন
ঘ. মূর্ধন্য ব্যঞ্জন

৪. তালব্য ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ আছে কোন শব্দে?
ক. শসা
খ. ঘাস
গ. কল
ঘ. দল

৫. পার্শ্বিক ব্যঞ্জনধ্বনির উদাহরণ কোনটি?
ক. ল
খ. ম
গ. ন
ঘ. থ

৬. কোনটি তাড়িত ব্যঞ্জনের উদাহরণ?
ক. র
খ. শ
গ. ড়
ঘ. ণ

৭. কোনগুলাে ঘােষ ব্যঞ্জন?
ক. ব, ভ
খ.ং, ঙ
গ. চ, ছ
ঘ. ত, দ

৮. ফুসফুস থেকে নির্গত বায়ুপ্রবাহ কম থাকলে সেগুলােকে বলে?
ক. ঘােষ ধ্বনি
খ. অঘােষ ধ্বনি
গ. অল্পপ্রাণ ধ্বনি
ঘ. মহাপ্রাণ ধ্বনি

৯. কম্পিত ব্যঞ্জনের উপস্থিতি আছে কোন শব্দে?
ক. বড়াে
খ. গাঢ়
গ. চানাচুর
ঘ. হঠাৎ

১০. উচ্চারণস্থান অনুযায়ী ‘শ’ কেমন ধ্বনি?
ক. দন্ত্য
খ. মূর্ধন্য
গ. তালব্য
ঘ. কণ্ঠ

- Advertisement -
Bcs Preparation
Bcs Preparation
BCS Preparation is a popular Bangla community blog site on education in Bangladesh. One of the objectives of BCS Preparation is to create a community among students of all levels in Bangladesh and to ensure the necessary information services for education and to solve various problems very easily.

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

সর্বশেষ

মে দিবস সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর [PDF]

মে দিবস সম্পর্কিত গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো। আশা করি পিডিএফটি আপনাদের উপকারে আসবে। https://www.youtube.com/watch?v=6Lx2cHXcgss পিডিএফ...

মনোযোগ দাও প্রতিটি অধ্যায়ে

পৌরনীতি ও নাগরিকতা বিষয়ে ভালো করতে হলে বহুনির্বাচনি আর সৃজনশীল অংশে জোর দিতে হবে। এবারের পরীক্ষা হবে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে।...

অনুশীলন করো প্রতিদিন

হিসাববিজ্ঞান পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর তুলতে চাইলে নিচের টিপসগুলো মনে রেখো। নম্বর বিভাজন: পরীক্ষায় সৃজনশীল অংশে প্রশ্ন থাকবে ১১টি। ১১টি...

ব্যাকরণ অংশই বেশি গুরুত্বপূর্ণ

বাংলা দ্বিতীয় পত্রে ভালো করতে হলে কিছু নিয়মকানুন জেনে নাও। বাংলা দ্বিতীয় পত্রে রচনামূলকে ৪০ আর বহুনির্বাচনিতে ১৫ মোট ৫৫...
- Advertisement -spot_img

প্রতিটি প্রশ্নে প্রয়োজনীয় চিত্র আঁকবে

জীববিজ্ঞানের বহুনির্বাচনি অংশে ভালো নম্বরের জন্য সিলেবাসের সংশ্লিষ্ট অধ্যায়ের সংশ্লিষ্ট সংজ্ঞা, বৈশিষ্ট্য, উদাহরণ, চিত্রের বিভিন্ন অংশ ভালোভাবে পড়বে। সৃজনশীল...

ভালো করে বুঝে পড়ো পাঠ্যবইয়ের লেসনগুলো

ইংরেজি প্রথম পত্রের প্রশ্নের ধরন ও উত্তর লেখার কলাকৌশল নিয়ে আলোচনা করা হলো: ১. পার্ট—এ: রিডিং টেস্ট প্রথম অংশে (পার্ট-এ) ৩০...

সর্বাধিক পঠিত

বাগযন্ত্র | বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম-দশম শ্রেণি

বাগযন্ত্র ধ্বনি উচ্চারণ করতে যেসব প্রত্যঙ্গ কাজে লাগে, সেগুলােকে একত্রে...

সরল জটিল ও যৌগিক বাক্য | বাংলা ভাষার ব্যাকরণ ও নির্মিতি নবম-দশম শ্রেণি

সরল জটিল ও যৌগিক বাক্য গঠন-বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী বাংলা বাক্যকে তিন...
- Advertisement -

এই বিভাগের আরো পোস্ট