বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আইসিটি থেকে কিছু তথ্য

বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে ৩০টি প্রশ্ন ও উত্তর

বিসিএস পরীক্ষার্থীদের জন্য কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর নিয়ে নিচে আলোচনা করা হলো। আপনারা যারা বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তাদের জন্য লেখাটি সহায়ক হবে। কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তি থেকে প্রশ্নগুলো একবার পড়ে নিলে আপনার আত্মবিশ্বাস অনেকটা বেড়ে যাবে। তো চলুন প্রশ্নগুলো পড়ে নেয়া যাক।

ফর্ম ( Form ) : প্রোগ্রামের বিভিন্ন অংশে যে উইন্ডো ( Window ) দেখা যায় , সে ধরনের উইন্ডো তৈরির জন্য ফর্ম ব্যবহার করা হয় । প্রোগ্রাম তৈরির সময় এই ফর্মে বিভিন্ন অবজেক্ট বা কন্ট্রোল প্রয়োজন অনুসারে সংযুক্ত করে প্রোগ্রামের ইন্টারফেস তৈরি করা হয় ।

রিপোর্ট ( Report ) : ডাটা টেবিলে বিভিন্ন রকম ডেটা বিভিন্নভাবে সাজানো থাকে । ডাটাবেজ থেকে প্রয়োজনীয় ডেটাসমূহ প্রতিবেদন আকারে প্রদর্শনের ব্যবস্থাকে রিপোর্ট বলে ।

ডেটা কমিউনিকেশন ( Data Communication ) : কোন ডেটাকে একস্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে কিংবা এক ডিভাইস হতে অন্য ডিভাইসে স্থানান্তর কিংবা একজনের ডেটা অন্য সবার নিকট স্থানান্তরের প্রক্রিয়াই হল ডেটা কমিউনিকেশন ।

ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড ( Data Transmission Speed ) : এক স্থান হতে অন্য স্থানে কিংবা এক কম্পিউটার হতে অন্য কম্পিউটারে ডেটা স্থানান্তরের হারকে ডেটা ট্রান্সমিশন স্পীড বলে ।

এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ( Asynchronous Transmission ) : যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক হতে ডেটা গ্রাহকে ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে এসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে ।

সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন ( Synchronous Transmission ): যে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমে প্রেরক স্টেশনে প্রথমে ডেটাকে কোন প্রাথমিক স্টোরেজে ডিভাইস সংরক্ষণ করে নেয়া হয় এবং অতঃপর ডেটার ক্যারেক্টার সমূহকে ব্লক আকারে ভাগ করে প্রতিবারে একটি করে ব্লক ট্রান্সমিট করা হয় তাকে সিনক্রোনাস ট্রান্সমিশন বলে ।

সিরিয়াল ইন্টারফেস ( Serial Interface ) : দুটি তারের মাধ্যমে কম্পিউটারের সঙ্গে অন্যান্য পেরিফেরালসের মধ্যে ডেটা আদান – প্রদানকারী সংযোগ ব্যবস্থা যদি সিরিয়ালি হয় তাহলে তাকে সিরিয়াল ইন্টারফেস বলে ।

প্রোটোকল ( Protocol ) : প্রোটোকল হচ্ছে ডেটা ট্রান্সমিশন সিস্টেমের এক Set Rules যা দুই বা ততোধিক কম্পিউটারের মধ্যে নির্ভুলভাবে ডেটা কমিউনিকেশনে সহায়তা করে ।

আইপি অ্যাড্রেস ( IP Address ) : ইন্টারনেটের সাথে সংযুক্ত প্রতিটি কম্পিউটারের একটি ঠিকানা থাকে । এ ঠিকানাকে বলা হয় আইপি অ্যাড্রেস । WWW : World Wide Web ( www ) হলো পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের সার্ভারে রাখা Web page ।

FTP : এফ.টি.পি. ( FTP ) হচ্ছে File Transfer Protocol . এর সাহায্যে ইন্টারনেট ব্যবহারকারী অন্যের কম্পিউটার থেকে ফাইল নিজের কম্পিউটারে নামিয়ে রাখতে পারে ।

HTML : Hyper Text Markup Language এর সংক্ষিপ্ত রূপ HTML World Wide Web ( www ) ফাইল তৈরি করতে ইহা ব্যবহার করা হয় । এই ফাইলসমূহ সাধারণভাবে ওয়েব পেইজ ( Web Page ) নামে পরিচিত ।

ডেটাবেস অ্যাডমিনস্ট্রেটর ( Database Administrator – DBA ) : কেন্দ্রীয়ভাবে ডেটাবেস নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালিত হয় একজন ব্যক্তি অথবা একদল ব্যক্তির সাহায্যে যাকে বা যাদের বলা হয় Database Administrator

ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ ( Data Manipulation Language ): ডেটাবেস এর তথ্য সমগ্রকে পরিচালনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য যে Language ব্যবহার করা হয় তাকে বলে ডেটা ম্যানিপুলেশন ল্যাংগুয়েজ বা DML ।

কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ ( Query Language ): ডেটাবেসে ডেটা প্রবেশ করানো , ডেটা রিট্রাইভ করা , ডেটা মডিফাই ( Modify ) অথবা ডিলেট করা ইত্যাদি অপারেশনগুলোকে কুয়েরি বলে । যে ল্যাংগুয়েজের সাহায্যে কুয়েরি করা হয় তাকে কুয়েরি ল্যাংগুয়েজ বলে।

ডেটা টাইপ ( Data Type ) : আমাদের দৈনন্দিন জীবনে প্রচুর ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয় । এই ডেটার টাইপ বা প্রকৃতি আবার বিভিন্ন প্রকার হতে পারে । যথা- টেক্টট বা ক্যারেক্টার , নাম্বার বা নিউমেরিক , ইয়েস / নো বা যুক্তিমূলক , তারিখ / সময় , মেমো , কারেন্সি ইত্যাদি ।

কুয়েরি ( Query ): কুয়েরির সাহায্যে নির্দিষ্ট ফিল্ডের ডেটা , নির্দিষ্ট গ্রুপের ডেটা , নির্দিষ্ট শর্তানুসারে প্রদর্শন করা এবং তা ছাপিয়ে উপস্থাপন করা যায় । কুয়েরিতে এক্সপ্রেশন , অপারেটর , ফিল্টার ইত্যাদি ব্যবহার করে সুবিধামত ডেটা নির্বাচন করা যায় ।

ইনডেক্স ( Index ): ইনডেক্স হচ্ছে সুসজ্জিতভাবে বা সুবিন্যাস্তভাবে তথ্যাবলির সূচি প্রণয়ন করা । ডেটাবেস থেকে ব্যবহারকারী কোন ডেটা যাতে তাড়াতাড়ি খুঁজে বের করতে পারে সেজন্য ডেটাকে একটি বিশেষ অর্ডারে সাজিয়ে রাখা হয় । ডেটাবেসের টেবিলের রেকর্ডসমূহকে এরূপ কোন লজিক্যাল অর্ডারে সাজিয়ে রাখাকেই ইনডেক্স বলে ।

ডেটাবেসের মধ্যে রিলেশন

একটি ডেটা টেবিলের ডেটার সাথে অন্য এক বা একাধিক ডেটা টেবিলের ডেটার সম্পর্ককে রিলেশন বলে ।

One to One রিলেশন : যখন দুটি ডেটা টেবিলের মধ্যে রিলেশন স্থাপন করা হয় এবং ডেটা টেবিলের একটি রেকর্ডের জন্যে অন্য ডেটা টেবিলে কেবলমাত্র একটি রেকর্ড থাকবে ।

One to Many রিলেশন : কোন ডেটা টেবিলের একটি রেকর্ড অন্য টেবিলের একাধিক রেকর্ডের সাথে রিলেশন রক্ষা করে।

Many to Many রিলেশন : দুটি টেবিলের মধ্যে যখন উভয় পক্ষে একাধিক ম্যাচিং রেকর্ড থাকে তখন তাকে Many to Many রিলেশন বলে ।

বিসিএস পরীক্ষার প্রস্তুতিতে আইসিটি থেকে কিছু তথ্য

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Scroll to top