প্রাইয়া ডি ভােয়া ভিয়েজিম

সৈয়দ আহমদ খান ও আলীগড় আন্দোলন এবং আন্দোলনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য

স্নিগ্ধ বাতাস, হৃদয়স্পর্শী সূর্যাস্ত, শহর থেকে কাছাকাছি, উষ্ণতায় পরিপূর্ণ একটি নান্দনিক সৈকত যেখানে পরিষ্কার পানির ঢেউ আর চারদিকে বিভিন্ন পাখির কলতান। এমন একটি জম সুন্দর সমুদ্র সৈকত ভ্রমণ করতে কার না ভালাে লাগে। প্রাইয়া ডি ভােয়া ভিয়েজিম ব্রাজিলের সবচেয়ে লম্বা সমুদ্র সৈকত হিসেবে সারা বিশ্বেই পরিচিত, যা তৈরি হয় ১৯৯২ সালে কিন্তু হাঙরের আক্রমণের জন্য পরে তা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে ঘােষণা করা হয়।

১৯৯২-২০১২ সাল পর্যন্ত ৫৬ বার হাঙরের আক্রমণের শিকার হন পর্যটকরা। হাঙরের আক্রমণের কারণটি হলাে এখানে সমুদ্রের পানির গভীরতা কম। আর হাঙরগুলাে সমুদ্র উপকুলেই অবস্থান করে। ফলে প্রায়ই আক্রমণের শিকার হন সৈকতে গােসল করা ও সাতার কাটা পর্যটকরা। ১৯৮৪ সালে যখন সৈকতটি উন্মুক্ত করা হয়, তখন বিভিন্ন মােহনা থেকে আসা স্ত্রী হাঙরের জন্য উপকূলটি নিরাপদ আশ্রয়স্থল ছিল ।

কিন্তু টাইগার হাঙরগুলাে এখানে এসে প্রজনন বৃদ্ধি করে ফলে হাঙরের সংখ্যা অনেক বেড়ে যায়। হাঙর সাধারণ উপকূল থেকে দূরে পানির ওপরের অংশে বিচরণ করে। তবে সেই এলাকাগুলােয় অধিক পরিমাণে জাহাজ চলাচলের কারণে তারা পর্যটকদের সমুদ্র এলাকায় প্রবেশ করে, এমনকি তারা অনেক সময় ভালাে খাবারের জন্যও উপকূলে আসে। কিন্তু এতাে সব কিছুর পরও ভ্রমণ পিপাসু মানুষকে ঠিকই টেনে নিয়ে আসে প্রকৃতির এই অপরূপ সৌন্দর্যের লীলা।

প্রাইয়া ডি ভােয়া ভিয়েজিম

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Scroll to top