চকচক করলেই সােনা হয় না

বাইরের দিক থেকে যা সুন্দর দেখায় তা-ই যে সত্য এমন নাও হতে পারে-ভিতরে তার ভিন্ন রূপ থাকা অস্বাভাবিক নয়। ভিতরে এক রকম, বাইরে অন্য রকম- এ ধরনের মানুষ যথার্থ গুণের অধিকারী নয়। নিজের ক্রটি ঢেকে রাখার জন্য অনেকে বাইরে কৃত্রিমতার মুখােশ পরে। এতে আসল পরিচয় ঢাকা গেলেও তা সাময়িক এবং অচিরেই তার স্বরূপ প্রকাশ হয়ে পড়ে। তাই বাইরের চাকচিক্য দেখে ভুললে চলবে না, তার ভিতরের পরিচয় নিয়ে সত্যকে চিনতে হবে। সােনার বাইরের উজ্জ্বলতা তার আসল পরিচয় নয়। খাটি সােনা চিনতে হলে তা কষ্টিপাপ্পরে যাচাই করতে হয়। কষ্টিপাথরে ঘষা দিলেই তা আসল না নকল জানা যায়। বাইরে চকচক করলেও নকল সােনা খাটি বলে চালানাে যায় না। নকল সােনা বাইরে ঘষে চক চক করা যায়। পিতলকেও এমন করা সম্ভব। কিন্তু সােনার খাটিত্ব প্রমাণ করার জন্য চক চক করা কোন কাজে আসে না। মানুষের জীবনেও এমন বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করা যায়। ভিতরের পরিচয়ই তার আসল পরিচয়। মানুষের কথাবার্তায়, চালচলনে ভিতরের পরিচয় বের হয়ে আসে। নকল দাঁত, কলপ দেয়া চুল, দামি প্রসাধনী সবই কৃত্রিম। এই কৃত্রিম পরিচয় স্থায়ী নয়। একদিন আসল পরিচয় প্রকাশ পাবে, তখন সব ফাকি ধরা পড়ে যাবে।

এই বিভাগের আরো ভাবসম্প্রসারণ :

আরো পড়ুন :   গ্রন্থগত বিদ্যা পর হস্তে ধন নহে বিদ্যা নহে ধন হলে প্রয়ােজন