কিয়ােটো চুক্তি কি? এ চুক্তিটি কি উদ্দেশ্যে, কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?

বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় শহিদমিনার, জাতীয় স্মৃতিসৌধ এবং সংসদ ভবনের ঐতিহাসিক গুরুত্ব

বিশ্বের পরিবেশ রক্ষা করার জন্য বিশ্ব উষ্ণতা রােধে জাপানের প্রাচীন রাজধানী কিয়ােটোতে অনুষ্ঠিত সম্মেলনে কিয়ােটো চুক্তি বা প্রটোকল স্বাক্ষর করা হয়। এটি কার্বন নির্গমন কমানাের একমাত্র আইনগত চুক্তি। চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৯৭ সালে।

চুক্তিটি কার্যকর হয় ১৬ ডিসেম্বর ২০০৫ সালে। এর মেয়াদ শেষ হয় ২০১২ সালে ছয়টি গ্রিন হাউস SJ14-Carbon-di-oxide, Methane, Nitrous oxide, Sulphur hexafluoride, Hydrofluorocarbons and perfluorocarbons কমানাের লক্ষ্যে এই কিয়ােটো চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়েছিল।

চুক্তিতে বলা হয় যে, শিল্পোন্নত দেশসমূহ তাদের গ্রিন হাউজ গ্যাসের নির্গমন ২০০৮-২০১২ সাল নাগাদ ১৯৯০ সালের পর্যায়ে নিয়ে আসবে তথা গড়ে ৫ শতাংশ হারে হ্রাস করবে। এতে আরাে বলা হয়েছে যে, প্রাথমিকভাবে প্রত্যেক দেশকে নিজ দেশে উৎপন্ন গ্রিন হাউজ গ্যাসের পরিমান অনুযায়ী হ্রাস করতে হবে।

চুক্তিতে ৮ শতাংশ হারে সুইজারল্যান্ড, মধ্য ও পূর্ব-ইউরােপ, ইউরােপীয় ইউনিয়ন; ৭ শতাংশ হারে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র; ৬ শতাংশ হারে কানাডা, হাঙ্গেরি, জাপান, পােল্যান্ড, রাশিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইউক্রেনকে গ্রিন হাউজ গ্যাস নির্গমনের মাত্রা হ্রাস করতে বলা হয় ২০১২ সালের মধ্যে। কিন্তু উল্লিখিত সময়ে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জন না হওয়ায় চুক্তিটি দ্বিতীয় মেয়াদে ২০২০ সাল পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়। এখন পর্যন্ত ২৭টি দেশ এর পক্ষে অনুসমর্থন দিয়েছে।

কিয়ােটো চুক্তি কি? এ চুক্তিটি কি উদ্দেশ্যে, কোথায় স্বাক্ষরিত হয়েছিল?

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Scroll to top