কম্পিউটারের বিভিন্ন পরিভাষা ডেটা জেনে রাখুন।

স্টার্টআপ এগ্রোবিজনেস

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ের কমপিউটার অংশ থেকে কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিভাষা ডেটার তথ্য দেওয়া হলো। আশা করছি লেখাটি আপনাদের সহায়ক হবে।

1.( Data ) বা উপাত্ত: Datum শব্দের বহুবচন হলো ডেটা ( Data ) যার অর্থ ফ্যাক্ট ( Fact )। কোন ধারণা ( Idea ) , বস্তু ( Object ) , শর্ত ( Condition ) , অবস্থা ( Situation ) , ইত্যাদির ফ্যাক্ট , চিত্র ( Figure ) বা বর্ণনা ( Description ) কে ডেটা বলে। ডেটা হলো সাজানো নয় এমন বিশৃঙ্খল ফ্যাক্ট ( Raw Fact )।

2.ইনফরমেশন ( Information ) বা তথ্য: ইনফরমেশন বা তথ্য হলো সুশৃঙ্খলভাবে সাজানো ডেটা যা সহজবোধ্য , কার্যকর ও ব্যবহারযোগ্য।

3.ডেটা প্রসেসিং ( Data Processing ): প্রয়োজনীয় বিশ্লেষণ , বিন্যাস ইত্যাদির মাধ্যমে ডেটাকে অর্থপূর্ণ তথ্যে বা ইনফরমেশনে পরিণত করার প্রক্রিয়াকে বলা হয় ডেটা প্রসেসিং।

4.ইনফরমেশন সিস্টেম ( Information System ): ডেটা সংগ্রহ, সংরক্ষণ , উপস্থাপনা ও আপডেটিং করার নিয়ম – পদ্ধতি এবং প্রয়োজনীয় তথ্য বা ইনফরমেশন সরবরাহ করাই হলো ইনফরমেশন সিস্টেম।

5.ডেটা কোডিং ( Data Coding ): কোডিং ( Coding ) হলো কোন নির্দিষ্ট নিয়ম অনুসারে কোনো ডেটা বা জিনিসকে সংক্ষেপে সংখ্যা বা অক্ষর বা চিহ্ন দ্বারা একটি ইউনিক ( Unique ) সংকেত বা কোডের সাহায্যে প্রকাশ করা ।

6.সিস্টেম ( System ): কোন নির্দিষ্ট কর্ম সহজে ও সঠিকভাবে সম্পাদনের লক্ষ্যে সুসংবদ্ধভাবে বিন্যস্ত রীতিনীতিকে সিস্টেম বলা হয়।

7.সিস্টেম ডিজাইন বা পরিকল্পনা ( System Design ): সমস্যা সমাধান করার জন্য বর্তমান সিস্টেমের প্রয়োজনীয় সংশোধন করে নতুন সিস্টেমের মূল রূপরেখা নির্ণয় করাকেই সিস্টেম ডিজাইন বা পরিকল্পনা বলে ।

8.ডেটা ফ্লো ডায়াগ্রাম ( Data flow diagram ): ডেটা ফ্লো ডায়াগ্রামের সাহায্যে সিস্টেমের প্রয়োজনীয় উপাদানগুলো এবং এদের পরিবর্তন সমূহ চিত্রের মাধ্যমে উপস্থাপন করা হয়।

9.ডেটা ডিকশনারী ( Data dictionary ): ডেটা ডিকশনারী হলো সুসংহত গুদাম বা ভান্ডার যেখানে ডেটা ফ্লো ডায়াগ্রামের সকল ডেটা উপাদান ও ডেটা স্ট্রাকচারের ব্যাখ্যা বা সংজ্ঞা থাকে।

10.ডিসিশন টেবিল( Decision Table ): ডিসিশন টেবিলে কোন সমস্যার বর্ণনা ও ক্রিয়াকলাপ একত্রে দেখানো হয় । ইহা কোন সমস্যার শর্ত ( Condition ) ও ক্রিয়াকলাপের ( Action ) মধ্যে সম্পর্ক প্রকাশ করে।

11.অ্যারে ( Array ): অ্যারে হলো একই ধরনের ভ্যারিয়েবলের একটি সিরিজ । যেমন mark ( 20 ) একটি অ্যারে , যেখানে ২০ জন ছাত্রের মার্কস সংরক্ষণ করা যাবে । এই অ্যারের প্রথম ভ্যারিয়েবলটি হলো Mark ( 1 ) , দ্বিতীয়টি ( Mark ( 2 ) , তৃতীয়টি Mark ( 3 ) …….. বিশতমটি Mark ( 20 ) । অ্যারে ব্যবহার করা খুবই সহজ । এটা প্রোগ্রামকে সহজ , সুন্দর ও ছোট করে এবং জটিলতা কমায় ।

12. ডেটা স্ট্রাকচার ( Data Structure ): ডেটার সুনির্দিষ্ট সংগঠনের গাণিতিক বা যুক্তিমূলক মডেলকে ডেটা স্ট্রাকচার বলে।

13.রেকর্ড ( Record ): পরস্পর সম্পর্কযুক্ত ভিন্ন ধরনের অনেকগুলো ডেটা আইটেমকে রেকর্ড বলে । রেকর্ডের অন্তর্গত বিভিন্ন ডেটা আইটেমকে ফিল্ড বলা হয় । রেকর্ডের ডেটা আইটেমকে সম্মিলিতভাবে বা পৃথক পৃথকভাবে প্রক্রিয়াকরণ করা যায় । রেকর্ডের উপাদানগুলো সাধারণত ভিন্ন ভিন্ন হয় । যেমন— নাম , জন্ম তারিখ , পিতার নাম , ঠিকানা ইত্যাদি মিলে একজন মানুষের জীবন বৃত্তান্ত হয় । উপাদানগুলোর ধরণও ভিন্ন ভিন্ন হয় তবে কখনও কখনও একই ধরনের ডেটা টাইপ হতে পারে । যেমন— নাম ও পিতার নামের ডেটা টাইপ স্ট্রিং।

14.স্ট্যাক ( Stack ): স্ট্যাক ডেটা সংরক্ষণের এমন একটি উপায় যেখানে সবশেষে সংরক্ষিত ডেটাটি প্রথমে ব্যবহার করতে হয় । এই পদ্ধতিকে Last – In First – Out বা LIFO বলা হয় । Ex : বিয়ে বাড়িতে খাবারের আগে প্লেট পরিবেশন ।

15. কিউ ( Que ): কিউ পদ্ধতিতে ডেটা সংরক্ষণ করলে সর্বপ্রথমে সংরক্ষিত ডেটাটি সবার আগে ব্যবহার করা হয় । এই পদ্ধতিকে Fast – In , First – out বা FIFO বলা হয় । Ex : টিকিটের লাইন।

16.সাব – স্ট্রিং ( Sub – string ): একটি বড় স্ট্রিংয়ের অংশ বিশেষকে বড় স্ট্রিংয়ের সাব – স্ট্রিং ( Sub – string ) বলা হয় , যেমন- City College- এই বড় বা সম্পূর্ণ স্ট্রিংটির অংশ বিশেষ City বা College হচ্ছে Sub – string .

17. সর্টিং বা সাজানো ( Sorting ): সর্টিং হলো একই শ্রেণিভুক্ত কিছু ডেটাকে তাদের মানের ঊর্ধ্বক্রম বা অধঃক্রম অনুসারে সাজানো।

18. লিনিয়ার সার্চিং ( Linear Searching ): যে পদ্ধতিতে পর্যায়ক্রমে অ্যারের প্রত্যেকটি উপাদানের সাথে নির্ধারিত ডেটা আইটেমকে তুলনা করা হয় তাকে লিনিয়ার সার্চিং বলা হয়়।

কম্পিউটারের বিভিন্ন পরিভাষা ডেটা জেনে রাখুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Scroll to top