অ্যাকাপুলকো সৈকত, অ্যাম্বুলেন্স আবিষ্কার, মধুটিলায় কিন্তু মধু নেই !

অ্যাকাপুলকো সৈকত

মেক্সিকো সিটি থেকে ৩৮০ কিলােমিটার দক্ষিণে প্রশান্ত মহাসাগরীয় উপকূলে গুয়েরেরাে রাজ্যের একটি শহর এবং প্রধান সমুদ্রবন্দর অ্যাকাপুলকো। এ সৈকতটি একটি গভীর, অর্ধবৃত্তাকার উপসাগরে অবস্থিত এবং মেক্সিকোর ইতিহাসের প্রথম ঔপনিবেশিক সময় থেকেই এটি একটি সমুদ্র বন্দর। এটি পানামা এবং সানফ্রান্সিসকো, ক্যালিফোর্নিয়া, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান শিপিং এবং ক্রুজ লাইনের জন্য একটি কল অফ কল।

অ্যাকাপুলকো রাজ্যের বৃহত্তম শহর যা রাজধানী চিলপানসিঙ্গো থেকেও অনেক বড়। আমেরিকানদের জন্য এ সমুদ্র সৈকতটি বিলাসবহুল অবকাশ কেন্দ্র। সুন্দর আবহাওয়া ও মনােমুগ্ধকর সৌন্দর্যের কারণে শহরের পাশের এ সৈকতটি পর্যটকদের জন্য অনেক আরামদায়ক অবকাশ যাপনের স্থান। কিন্তু দুর্ভাগ্য, পর্যটকরা এখানে মােটেও নিরাপদ নন।

যদি কাউকে অ্যাকাপুলকো সৈকত ভ্রমণের অনুমতি দেয় কর্তৃপক্ষ, তাহলে তাকে বিশেষভাবে নিরাপত্তা দিয়ে এলাকায় থাকার ব্যবস্থা করা হয়। ৮ম শতাব্দীর মধ্যে অ্যাকাপুলকো উপসাগর এলাকার আশেপাশে একটি ছােট সংস্কৃতি ছিল যা প্রথমে ওলমেকদের দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করে, তারপর ১৫২০-এর দশক শেষ হওয়ার আগে প্রাক-হিস্পানিক সময়কালে অন্যান্যদের দ্বারা আধিপত্য বিস্তার করে।

অ্যাকাপুলকো উপসাগরেই, দুটি ওলমেক সাইট ছিল, একটি প্লেয়ালার্গা এবং অন্যটি এল গুইটারন নামে পরিচিত একটি পাহাড়। ওলমেকের প্রভাব এখানকার ছােট ছােট গ্রামগুলিকে বৃহত্তর সত্তায় একত্রিত করে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে শহর ও সমুদ্রবন্দর গড়ে উঠে।

অ্যাম্বুলেন্স আবিষ্কার

অ্যাম্বুলেন্স (Ambulance) হলাে রােগী পরিবহনের কাজে নিয়ােজিত এক ধরনের যানবাহন বিশেষ যা এক স্থান থেকে অন্য স্থানে রােগী পরিবহনের জন্য ব্যবহার করা হয়। গুরুতর আহত লােক বা অসুস্থ ব্যক্তি বহনের নিমিত্তেই শুধু এ পরিষেবা প্রদান করা হয়। সচরাচর অ্যাম্বুলেন্সের সাহায্যে জরুরিভাবে জনগণ স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের উদ্দেশ্যে হাসপাতালে গমন করে থাকেন।

সাধারণত হাসপাতালের বাইরে অবস্থানকালীন অ্যাম্বুলেন্সে ইমারজেন্সি মেডিক্যাল টেকনিশিয়ান (EMT) এবং প্যারামেডিক অবস্থান করেন ও রােগীদের যাত্রাপথে প্রয়ােজনীয় সেবা হিসেবে স্বাস্থ্য পরিচর্যা কিংবা জরুরি ঔষধ প্রদান করেন। ১৪৮৭ সালে থানাডার আমিরাতের বিরুদ্ধে ক্যাথলিক সম্রাটদের মালাগা অবরােধের সময় জরুরি পরিবহনের জন্য প্রথম অ্যাম্বুলেন্স ব্যবহার করা হয় এবং ১৮৩০-এর দশকে বেসামরিকভাবে চালু করা হয়। ১৯-২০ শতকে প্রযুক্তির অগ্রগতিতে আধুনিক স্বচালিত অ্যাম্বুলেন্স চালু হয়।

মধুটিলায় কিন্তু মধু নেই!

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার পােড়াগাঁও ইউনিয়নে মধুটিলা ইকোপার্কটির অবস্থান। মধুটিলা ইকোপার্ক বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় অবস্থিত অন্যতম একটি পরিবেশ-উদ্যান। ১৯৯৯ সালে এই বনকে পরিবেশ-উদ্যান বা ইকোপার্ক ঘােষণা দেওয়া হয়। এই পার্কের আয়তন ৩৮৩ একর। বাংলাদেশ ভারত সীমানাসংলগ্ন গারাে পাহাড়ের পাদদেশে দিগন্ত ছােয়া সবুজ বনরাজিবেষ্টিত এবং পাহাড়, ঝর্ণা, টিলা ও লেক সুশােভিত এই ইকোপার্কটি পর্যটকদের নিকট আকর্ষণীয় করে তােলা হয়।

পার্কে গেট পেরিয়ে ভেতরে ঢুকতেই নজরে পড়বে। উঁচু উঁচু গাছের সারি, ঔষধি ও সৌন্দর্যবর্ধক বহু গাছ, সাইট ভিউ টাওয়ার লেক ও মিনি চিড়িয়াখানা। রাস্তা থেকে । ডান পাশে খােলা প্রান্তর আর দুই পা পাশে রকমারি পণ্যের দোকান। এ রেস্তোরা পেরােলে পাহাড়ি ঢালুর । আঁকাবাঁকা রাস্তা। মধুটিলা নামের সাথে পাহাড়ের মিল থাকলেও সেখানে মধুর কোনাে অস্তিত্ব নেই।

ঘুম আসে কেন?

ঘুম মানুষের একটি সহজাত ধর্ম এবং এটিই শরীরের মূল চাহিদা। ঘুমের মাধ্যমে শরীর ও মন বিশ্রাম পায়। সারা দিনের কাজকর্ম, ব্যায়াম ইত্যাদি কারণে আমরা ক্লান্ত হই, আর ঘুমের মধ্য দিয়ে শরীর, পেশি, মন ও মস্তিষ্ক বিশ্রাম লাভ করে এবং শক্তি সঞ্চার করে।

ঘুমালে চোখের পাতা বন্ধ হয় কেন?

আমাদের ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে নিউরাে ট্রান্সমিটার (Neurotransmitter) নামক এক অণু যা মেলাটোনিন নামে পরিচিত। চোখ খােলা থাকলে আলাের কারণে এ নিউরাে ট্রান্সমিটার তৈরি হতে পারে না তাই মানুষ ঘুমালে চোখ বন্ধ হয়ে যায়।

ঘুমের মধ্যে কথা বলে কেন?

ঘুমের মধ্যে কথা বলাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় প্যারাসমনিয়া বলা হয়। এটি এক ধরনের ঘুমের ব্যাধি। যদিও চিকিত্সকরা এটির কোনাে সঠিক কারণ বলতে পারেননি, এটি মস্তিষ্ক সম্পর্কিত কোনাে সমস্যার কারণে হতে পারে। যে ব্যক্তির ঘুমের মধ্যে। কথা বলার অভ্যাস আছে, ঘুম থেকে ওঠার পরে , তার কিছুই মনে থাকে না।

About Bcs Preparation

BCS Preparation is a popular Bangla community blog site on education in Bangladesh. One of the objectives of BCS Preparation is to create a community among students of all levels in Bangladesh and to ensure the necessary information services for education and to solve various problems very easily.
View all posts by Bcs Preparation →

Leave a Reply

Your email address will not be published.