অর্থ-বাণিজ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

সৈয়দ আহমদ খান ও আলীগড় আন্দোলন এবং আন্দোলনের আদর্শ ও উদ্দেশ্য

বিলুপ্তির পথে জুবিলী ব্যাংক

১৫ এপ্রিল ১৯১৩ পূর্ববঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হয় ‘খােকসা জানিপুর জুবিলী ব্যাংক লিমিটেড’। প্রধান কার্যালয় ছিল কুষ্টিয়ার খােকসা উপজেলার জানিপুর। সময়ের হিসেবে এটি দেশের সবচেয়ে পুরােনাে ব্যাংক। ২৬ জুন ১৯৮৪ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে লাইসেন্স পেয়ে বাণিজ্যিকভাবে ব্যাবসা শুরু করে ব্যাংকটি। ২৬ জানুয়ারি ১৯৮৭ এর নাম পরিবর্তন করে হয় ‘জুবিলী ব্যাংক লিমিটেড’ ।

১৯৮৮ সালে অ-তফসিলি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনার অনুমতি পায়। সম্প্রতি শতাব্দী প্রাচীন এ ব্যাংকটি বিলুপ্তির সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ সরকার। ২৯ নভেম্বর ২০২১ হাইকোর্ট এক আদেশে ‘জুবিলী ব্যাংক লিমিটেড অবসায়নের অফিসিয়াল লিকুইডিটর’ (অবসায়ক) হিসেবে আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এএইচএম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিককে এবং সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফারিয়া হককে অতিরিক্ত লিকুইডিটর হিসেবে নিয়ােগ দেওয়া হয়।

৩ ফেব্রুয়ারি ২০২২ বিচারপতি মুহাম্মদ খুরশীদ আলম সরকারের বেঞ্চের নির্দেশনা সংবলিত লিখিত আদেশ প্রকাশিত হয়। পাশাপাশি এ আদেশে ৩০ দিনের মধ্যে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল এবং ৯ মাসের মধ্যে তাদেরকে ব্যাংকটির বিষয়ে সকল কাজ সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেয়।

সমুদ্রপথে ইউরােপে সরাসরি রপ্তানি

৭ ফেব্রুয়ারি ২০২২ জাহাজে করে বাংলাদেশ থেকে প্রথমবারের মতাে ইউরােপের দেশ ইতালিতে সরাসরি পণ্য রপ্তানি শুরু হয়। চট্টগ্রাম বন্দর থেকে ৯৫২ টিইইউএস (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের) কন্টেইনার ভর্তি পণ্য নিয়ে লাইবেরিয়ার পতাকাবাহী জাহাজ এমভি সােঙ্গা চিতা’ ইতালির উদ্দেশে চট্টগ্রাম বন্দর ছাড়ে। ২০২১ সালের ডিসেম্বরে আরেকটি জাহাজের পরীক্ষামূলক যাত্রা সফল হওয়ায় এবার নিয়মিত যাত্রা শুরু হয়।

ক্যাপ ফ্লোরেস’ নামে অপর জাহাজটি ২৩ ডিসেম্বর ২০২১ খালি কন্টেইনার নিয়ে পরীক্ষামূলকভাবে চট্টগ্রাম বন্দরে এসেছিল। চট্টগ্রাম ইতালি সরাসরি জাহাজ চলাচলের এ সেবা চালু করে। ইতালির ফ্রেইট ফরােয়ার্ডার প্রতিষ্ঠান আরআইএফ লাইন এবং সহযােগী প্রতিষ্ঠান ক্যালিপসাে কোম্পানিয়া ডি নেভিগেশন। ১৯৭৭ সালে কনটেইনার পরিবহন শুরুর পর এটাই ইউরােপের পথে সরাসরি কোনাে কনটেইনারবাহী জাহাজের প্রথম যাত্রা। এতদিন বাংলাদেশের তৈরি পােশাকসহ বিভিন্ন পণ্য ইউরােপে রপ্তানি হতাে অন্য দেশের বন্দর হয়ে।

ই-কমার্সের নিবন্ধন

ফেসবুক, অনলাইন বা ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ব্যাবসা করতে এখন থেকে সরকারি সনদ নিতে হবে। এ সনদের নাম ডিজিটাল বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন (DBID)। এটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে সংগ্রহ করতে হবে। ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২২ এ সনদ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ১১টি প্রতিষ্ঠানকে নিবন্ধন দেওয়া হয় ।

DBID’র সনদ দেওয়া মানে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানকে একটা ডকুমেন্ট দেওয়া। এটা দেখিয়ে কর শনাক্তকরণ নম্বর (TIN) ও ব্যাংক ঋণ প্রদান করা হবে। ই-কমার্স খাতকে ভবিষ্যতের জন্য নির্ভরযােগ্য করতে আগামী ছয় মাসের মধ্যে আরও নতুন দু’টি পদ্ধতি চালু করা হবে। এ খাতের অভিযােগ নিষ্পত্তির জন্য ‘সেন্ট্রাল কমপ্লেইন ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’ এবং সার্ভারসহ ই-কমার্স খাতে কী; পরিমাণ ট্রানজেকশন হয়, কারা কোথায় কী; পরিমাণ পণ্য কেনাবেচা করে তা পর্যবেক্ষণের জন্য সেন্ট্রাল লিকুইডিটি ট্র্যাকিং প্রােগ্রাম (CLTP) চালু করা হবে।

পেপারলেস DSE’র যাত্রা

২৬ জানুয়ারি ২০২২ চিঠি, ফাইলিং তথা কাগজপত্রের পুরােনাে প্রথা বাদ দিয়ে পেপারলেস স্টক এক্সচেঞ্জ হিসেবে যাত্রা শুরু করে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE)। নতুন যাত্রার ফলে এখন থেকে ধারাবাহিকভাবে ডিএসইতে কাগুজে চিঠিপত্রের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। DSE’র চেয়ারম্যান মাে. ইউনুসুর রহমান অনলাইনে সকল কাজকর্মের উদ্বোধন করেন।

অর্থ-বাণিজ্য থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু তথ্য

Leave a Reply

Your email address will not be published.

Scroll to top